Style Tips24

Facebook

ব্রনের কালো দাগ দূর করার উপায়

নারী এবং পুরুষ উভয়েই ব্রণের সমস্যায় পরে থাকেন। ব্রণের হাত থেকে মুক্তি পেলেও ত্বকে রয়ে যায় ব্রণের দাগ। জেনে নেই ব্রনের কালো দাগ দূর করার উপায়ঃ
হরমোনের সমস্যা, বিরূপ আবহাওয়া, ধুলোবালি, রোদ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, মদ্যপান ইত্যাদি কারণে ব্রণের সমস্যা শুরু হয়।সমস্যা হলো ব্রণের হাত থেকে মুক্তি পেলেও ত্বকে রয়ে যায় ব্রণের বিশ্রী দাগ। এই দাগ খুবই অস্বস্তিকর।ব্রণের বিশ্রী দাগ মুখের সৌন্দর্যটাই নষ্ট করে দেয়। অনেক নামি দামী প্রোডাক্টও ব্রণের এই দাগ সারিয়ে তুলতে সক্ষম হয় না। প্রাকৃতিক উপায়ে খুব সহজে ব্রণের এই অস্বস্তিকর বিশ্রী দাগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। দেখে নেয়া যাক ব্রণের বিশ্রী দাগ থেকে মুক্তির খুব সহজ প্রাকৃতিক উপায়গুলো:

লেবুর রস
লেবুর রসের অ্যাসিটিক এসিড ত্বকের ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম। এছাড়া লেবুর রস ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করে ব্রণের উপদ্রব থেকে বাঁচায়। প্রতিদিন লেবুর রসের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে তুলোর বল ভিজিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২ ঘণ্টা। ব্রণ ও ব্রণের দাগ থেকে রেহাই পাবেন।

মধু
মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান, যা ভেতর থেকে এই সমস্যার সমাধান করে। মধু হাতের তালুতে নিয়ে মুখে প্রতিদিন ম্যাসেজ করলে এবং প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ মধু খেলে খুব দ্রুত ব্রণ ও ব্রণের দাগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এছাড়া মধুর সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে তা ব্রণের দাগ ত্বক থেকে দূর করতে বিশেষ কার্যকর

নিজের চেহারায় আলো ছড়ান প্রাকৃতিক ভাবে

বেশি মেকআপ, ঘোরাঘুরি আর বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়ে ত্বকে পড়েছে কাল ছাপ। এমন ত্বকে মুহূর্তেই উজ্জ্বলতা বাড়াতে ব্লিচের কোনো বিকল্প নেই। কোনো অনুষ্ঠান বা উৎসবে যোগ
দেয়ার আগেও অনেকে ব্লিচ করিয়ে নেন। সেজন্য বেশির ভাগ সময় নির্ভর করতে হয় পার্লারের ওপর। অথচ কোনো রকম কেমিক্যাল ছাড়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানে ব্লিচ করে নিতে পারেন আপনি নিজেই। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে, ত্বকের উপরের মরা কোষ দূর হবে, ত্বক থাকবে যত্নে
আর মনের মতো করে আলো ছড়াবে। চলুন তাহলে ঘরে বসে ব্লিচ করে নেয়ার সহজ পদ্ধতি শিখে নেয়া যাক।যা যা লাগবে লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, দুধ ১ টেবিল চামচ, মধু ১ টেবিল চামচ, হলুদ বাটা বা গুঁড়া ১ চিমটি।যেভাবে করবেনপ্রথমে দুধ ও মধু ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর লেবুর রস আর হলুদ গুঁড়া একে একে মিশিয়ে মাস্কের মতো তৈরি করে নিন। কিছুটা
পেস্টের মতো মিশ্রণটি তৈরি হবে।
এবার এটি পুরো মুখে লাগিয়ে গোল
করে পুরো মুখে ম্যাসেজ করতে হবে
১০ মিনিট। কিছু সময় রেখে শুকিয়ে
গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে আলতো
করে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধুয়ে ভালো
করে মুছে নিন। মুখ ধোয়ার পর ৬
থেকে ৭ ঘণ্টা কোনো প্রসাধনী
ব্যবহার না করা ভালো। তাই এই
চর্চাটি রাতে ঘুমানোর আগে করা
উত্তম। লেবুতে অ্যালার্জি থাকলে
এই পদ্ধতিতে ব্লিচ করা উচিৎ নয়। মনে
রাখতে হবে, ব্লিচ করে সরাসরি
সূর্যের আলোতে বের হওয়া যাবে
না।

ব্যায়াম করলে বাড়বে আয়ু!

নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর ফিট থাকে, নানা রোগে ভোগার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, ওজন কমিয়ে নিজেকে আকর্ষণীয় করাসহ আরও অনেক তথ্যই আমদের জানা। কিন্তু এবার নতুন এক গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, নিয়মিত ব্যায়াম করে আয়ু বাড়ানো যায় অনেকটা সময়। পিএলও
মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদন জানিয়েছে, এক সপ্তাহে মাত্র ১৫০ মিনিটের শারীরিক ব্যায়াম আপনার আয়ুকে বাড়িয়ে দিতে পারে তিন বছর চার মাস পর্যন্ত।
গবেষণাটি ৬ লাখ ৫০ হাজার
লোকের ওপর চালানো হয়। যে
ব্যায়ামে দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস হয় এবং
হৃদস্পন্দন অনেক বেড়ে যায় যেমন-
টেনিস প্রতিযোগিতা,অ্যারোবিকস, দৌড়ানো ইত্যাদিতেঅভস্ত, তাদের ৩০ শতাংশ আয়ু বাড়ে।
এসব ব্যায়ামে শরীরের ওজন থাকে
নিয়ন্ত্রণে, অলসতা দূর হয়, দেহ থেকে
রোগের বাসা উচ্ছেদ করে। বিশেষ
করে হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করে। আর তাই
স্বাভাবিক ভাবেই আপনার আয়ু
বেড়ে যায়।
নিয়ম মেনে ব্যায়াম করলে তার
উপকারিতা সব বয়সের নারী এবং
পুরুষের মধ্যে দেখা যায়। ব্যায়ামের
আগে নিজেকে তৈরি করে নেয়ার
বিষয়টি সব সময় খেয়াল রাখতে হবে।
গবেষকরা আরও বলেন, আয়ু রক্ষা আবার প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করে
খাদ্যাভ্যাস, বয়স, অ্যালকোহল সেবন
এবং ক্রনিক রোগের ওপর। তাই এসব
বিষয়েও সাবধান থাকা জরুরি।
যদি শরীরের ওজন অনাকাঙ্ক্ষিত
ভাবে বেড়ে যায় বা কাজে
অনুপযোগী হয়ে পড়েন তবে তা অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয়। দীর্ঘদিন কর্মক্ষম
থাকতে, শারীরিক নানা ক্ষত থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন।গবেষকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়ামের একটি ভালো পদ্ধতি হল, যেকোনো খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকা।

৩০ সেকেন্ড এ মাথা ব্যাথা দূর করুন

আমাদের অনেকেরই প্রায়ই
মাথাব্যথা হয়। অনেকেই আবার নানা
করণে টেনশনে থাকি। এই খারাপ
লাগার অনুভূতিগুলো সত্যিই খুব
যন্ত্রণা দেয় আমাদের।
ওষুধ খেলে এগুলো থেকে মুক্তি
পাওয়া যায়, কিন্তু সেজন্য অনেক সময়
লাগে। যদি এমন হয় মাত্র ৩০
সেকেন্ডে এই দুঃসহ যন্ত্রণা থেকে
মুক্তি পাওয়া যায়, তাও আবার
কোনো ওষুধ ছাড়াই।
অসম্ভব মনে হচ্ছে?
একদমই না।এটা সম্ভব।
আমরা অনেকেই জানি,ব্যথা ওরোগ নিরাময় করার জন্য ব্যবহৃত প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে
আকুথেরাপি। মানবদেহের রোগ
নির্ণয়, রোগ নিরাময় এবং রোগ
প্রতিরোধ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন
আকুথেরাপি। শরীরে সুচের মতো
চাপ প্রয়োগ করে আকুথেরাপি
দেওয়া হয়।
কিন্তু ভয় পাবেন না, আপনার
মাথাব্যথা আর টেনশন থেকে মুক্তি
পেতে মাথায় সুই ফোটাতে হবে না।
মাত্র ৩০ সেকেন্ড বাম হাতের
পয়েন্টে ডান হাতের আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিয়ে ধরে রাখুন।আর মুহূর্তেই অনুভব করুন মাথাব্যথা
কোথায় পালিয়েছে, আর দুশ্চিন্তাও
উধাও!

স্কিন টাইট জিস্ন পায়ের স্নায়ুর জন্য স্থায়ী ক্ষতি

গত কয়েক বছরে ফ্যাশন জগতে স্থারে নিয়েছে স্কিন টাইট জিন্স।
নারী বা পুরুষ উভয়েরই ফ্যাশন
তালিকায় রয়েছে পোশাকটি।
তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
জানিয়েছেন, বেশি টাইট জিন্স বা
ট্রাউজারে হতে পারে
স্বাস্থ্যহানি।
বিশেষজ্ঞরা গবেষণা করে
দেখেছেন, অতিরিক্ত টাইট জিন্স
পরলে পেশি ও স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতি
হতে পারে।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক জার্নাল
অব নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি
অ্যান্ড সাইকিয়াট্রিতে প্রকাশ
পেয়েছে একটি বাস্তব বিরল ঘটনা।
যা এর আগে চিকিৎসাবিজ্ঞানে
দেখা যায়নি। এক ৩৫ বছর বয়সী নারী
অতিরিক্ত টাইট জিন্স পরার কারণে
টানা চারদিন হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ঘটনার বিবৃতিতে জানা যায়, তিনি
বাড়ি স্থানান্তরের কাজে
পরিবারকে সাহায্য করছিলেন।
সারাদিন টাইট জিন্স পরে থাকায়
তার হাঁটুর নিচের পেশি ফুলে যায়।
এক পর্যায়ে সন্ধ্যার দিকে তার পা
অসাড় হয়ে যেতে শুরু করে ও
ঠিকভাবে পা ফেলতেও কষ্ট হচ্ছিল।
তিনি টানা কয়েক ঘণ্টা পা
নাড়াচাড়া করতে পারেননি ও প্রায়
চারঘণ্টা সেখানকার মেঝেতেই
শুয়ে ছিলেন। পরে মেডিকেল
সহযোগীরা এসে জিন্স কেটে তার
পা বের করেন। এরপর চারদিন তাকে
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে
হয়েছে।

পেটের চর্বি থেকে খুব সহজে মুক্তি পাওয়ার উপায়

মেদহীন পেট কার না কাম্য। অন্যদের
মতো আপনারও নিশ্চয় চাই মেদহীন
পেট। অথচ আপনার চাওয়াকে
বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পেটে চর্বি
জমছে। এ থেকে কিন্তু সহজেই আপনি
মুক্তি পেতে পারেন। একটু সতর্ক হলেই
চর্বি যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া
যায়।
দিন শুরু হোক লেবুর শরবতে : পেটের
চর্বি দূর করার জন্য এটি দারুণ এক
উপায়। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে
লেবু এবং কিছু লবণ নিতে হবে।
নিয়মিত এ শরবত পান করলে পেটের
চর্বি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
সাদা চালের ভাত থেকে দূরে থাকুন
: পেটের চর্বি দূরে রাখতে হলে
সাদা চালের ভাত থেকে দূরে
থাকুন। এর পরিবর্তে আটার তৈরি
খাবার খেতে হবে।
দূরে থাকতে হবে চিনি থেকে :
পেটের চর্বি থেকে রেহাই পেতে
হলে চিনি এবং চিনি জাতীয়
খাবারের সঙ্গে শত্রুতা ছাড়া উপায়
নেই। চিনি জাতীয় খাবার শরীরের
বিভিন্ন অংশে চর্বি জমাতে
কার্যকর ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে
পেট ও ঊরুতে।
প্রচুর পানি পান : প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই।পেটের চর্বি থেকে মুক্তি পেতে হলে পানির
সঙ্গে করতে হবে বন্ধুত্ব। কেননা
পানি আপনার শরীরের পরিপাক
ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীর
থেকে ক্ষতিকর জিনিস বের করে
দিতে সাহায্য করে।
কাঁচা রসুন খাওয়া : সকালে করতে
হবে এই কাজটি। দুই বা তিন কোয়া
কাঁচা রসুন খেতে হবে। লেবুর শরবত
পান করার পরই এটি খেয়ে নিলে
ভালো ফল পাওয়া যাবে। এই
পদ্ধতিটি আপনার শরীরের ওজন
কমানোর প্রক্রিয়াটি দ্বিগুণ গতিতে
করবে। সেই সঙ্গে আপনার শরীরের
রক্ত সঞ্চালন হবে মসৃণ গতিতে।
মসলা সমৃদ্ধ রান্না : আপনার
খাবারকে মসলা সমৃদ্ধ করে তুলুন।
দারুচিনি, আদা, কাঁচা মরিচ দিয়ে
রান্না করুন আপনার খাবার। কেননা
এসব মসলা স্বাস্থ্যকর সব উপাদানে
ভরপুর। এগুলো আপনার শরীরের রক্তে
শর্করার মাত্রা কমিয়ে রাখতে
সহায়তা করে।
বেশি করে ফলমূল খাওয়া : সকালের
নাস্তায় অন্য খাবারের পরিমাণটা
কমিয়ে সেখানে স্থান করে দিতে
হবে ফলের। প্রতিদিন সকালে এক
বাটি ফল খেলে পেটে চর্বির জমার
হাত থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া
যাবে।

Tast

Oli